ফ্রেডরিখ হেগেল (১৭৭০-১৮৩১)
ফ্রেডরিখ হেগেল ছিলেন ভাববাদী জার্মান দার্শনিক। ১৭৭০ সালের ২৭ আগস্ট জার্মেনীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে স্টুটগার্টে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ছিলেন রাজস্ব অফিসের সচিব আর তার নানা ছিল হাইকোর্টের বিচারক। তার মা মারা যান যখন হেগেলের বয়স ১৩ বছর। তিন বছর বয়সেই হেগেল ‘জার্মান স্কুল’-এ ভর্তি হয়েছিলেন আর পাঁচ বছর বয়সে ‘ল্যাটিন স্কুল’Ñএ। কৈশোরে তিনি সর্বগ্রাসী পাঠক ছিলেন। ভালো ভালো লেখার উদ্ধৃতি তিনি তার ব্যক্তিগত ডাইরিতে টুকে রাখতেন। এরপর আঠারো বছর বয়সে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে থিয়োলজিক্যাল সার্টিফিকেট অর্জনের পর তিনি বার্নের এক অভিজাত পরিবারে গৃহশিক্ষকের কাজ নেন। এটা ১৭৯৩ সালের কথা। ১৭৯৬ পর্যন্ত তিনি এখানে ছিলেন। এই সময়কালে তিনি বই লেখেন যা পরবর্তীকালে ‘লাইফ অফ জেসাস’ নামে পরিচিতি পায়।
হেগেলের (Georg Wilhelm Friedrich Hegel) দার্শনিক মত প্রায় দু’শ বছর ধরে মানুষের চিন্তাকে প্রভাবিত করেছে। পূর্ববর্তী দার্শনিক ইমানুয়েল কান্টের দর্শনের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণের মধ্য দিয়ে তার নিজস্ব দার্শনিক মত গড়ে উঠেছে।
নীতিশাস্ত্র, ধর্ম, ইতিহাস, নন্দনতত্ত্ব ও রাজনীতি বিষয়ে তার চিন্তাধারা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হেগেল মনে করতেন, ভাব বা অস্তিত্বের মধ্যে অনন্তকাল ধরে হ্যাঁ এবং না-এর দ্বন্দ্ব চলছে। তার এ চিন্তা থেকেই আধুনিককালের দুটি দার্শনিক চিন্তার শুরু। চিন্তা দুটি একে অপরের প্রবল বিরোধী। একটি হচ্ছে দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ বা মার্ক্সবাদ অন্যটি নবভাববাদ বা স্বৈরতান্ত্রিক রাজনৈতিক মতবাদ।
১৮৩১ সালের ১৪ নভেম্বর তার মৃত্যু হয়।
খবরটি পড়েছেন :322
এমন আরো কিছু পোষ্ট:
- আবদুর রাজ্জাক (১৯১৪-১৯৯৯)
- একজনের জীবন আরেকজন যাপন
- বাবর (১৪৮৩-১৫৩০)
- কেমব্রিজের সর্বকনিষ্ঠ ছাত্র
- প্লেটো (খ্রিস্টপূর্ব ৪২৪-খ্রিস্টপূর্ব ৩৪৭)
- সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৪২-১৯২৩)
- রাষ্ট্রপতির নামে স্কুল নির্মাণে কোনো পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়নি
- রাষ্ট্রপতির নামে স্কুল নির্মাণে কোনো পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়নি
- মেঘনাদ সাহা (১৮৯৩-১৯৫৬)
- হেলেন কেলার
You can follow any responses to this entry through the RSS 2.0 feed. You can leave a response, or trackback from your own site.
