আয়ু বাড়ানোর জিন আবিষ্কার
কারো আয়ু কেন বেশি, আবার কারো কেন কম এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তারা বেশি আয়ু কিংবা কম আয়ু বলতে স্বাভাবিক অবস্থায় মৃত্যুর কথা বুঝিয়েছেন। দুর্ঘটনায় কিংবা রোগে শোকে মৃত্যু নয়। গবেষকরা বলেছেন, যারা ১০০ বছর কিংবা তার বেশিদিন বেঁচে থাকেন তাদের শরীরে উত্তরাধিকার সূত্রে একটি এনজাইমের ‘হাইপারঅ্যাকটিভ’ ভার্সনের উপস্থিত থাকার ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এটি কোষকে খুব ধীরে ধীরে বয়োপ্রাপ্ত হতে বাধ্য করে। যুক্তরাষ্ট্রের আলবার্ট আইনস্টাইন কলেজ অব মেডিসিনের গবেষকরা একথা বলেছেন। ১০০ কিংবা তার কাছাকাছি বয়স হয়েছে এমন ৮৬ জনকে নিয়ে গবেষণা করে বিজ্ঞানীরা এই তথ্য খুঁজে পেয়েছেন। দেখা গেছে, শতবর্ষী অনেকের সন্তানের শরীরেও উত্তরাধিকার সূত্রে এই এনজাইম প্রবেশ করেছে। তাদের সন্তানেরাও শতবর্ষী হবে বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন।
গবেষকরা বলেছেন, এখন আমাদের টার্গেট হবে কিভাবে ওষুধের মাধ্যমে এই এনজাইম শরীরে ঢুকানো যায় সেটা নিয়ে গবেষণা করা। এ ব্যাপারে সাফল্য লাভের ব্যাপারে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। -সূত্র : বিবিসি
খবরটি পড়েছেন :349
এমন আরো কিছু পোষ্ট:
- মানুষের অনন্য বৈশিষ্ট্যসূচক ডিএনএ আবিষ্কার
- সিজোফ্রেনিয়া ঠেকাতে বিজ্ঞানীদের নতুন আবিষ্কার
- চিন্তাশক্তি বাড়ানোর জন্য খাবার
- যান্ত্রিক পাকস্থলী
- জুতা আবিষ্কার!
- বিশ্বের প্রথম আবিষ্কার এক অণু ট্রানজিস্টর
- ৪৪৫ কোটি বছর আগের আদিম উপাদান আবিষ্কার
- ফিটনেস বাড়ানোর উপায়
- হার্ট ভালো থাকলে ব্রেইন ভালো থাকে
- ভিটামিন ‘ডি’ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়
You can follow any responses to this entry through the RSS 2.0 feed. You can leave a response, or trackback from your own site.
