চাঁদে প্রচুর পানির সন্ধান পেয়েছে নাসার বিজ্ঞানীরা
চাঁদে পানি আছে এমন কথা বিজ্ঞানীরা আগেও বলেছে। তবুও এই প্রথম প্রচুর পরিমাণে পানির সন্ধান পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল এরোনটিকস এন্ড স্পেস এডমিনিস্ট্রেশন (নাসা) এর মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। গত মাসে লুনার ক্রেটার অবজারভেশন এবং সেনটাউর নামের রকেট দিয়ে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর ১০০ কিলোমিটার দূরের কাবেউস নামের আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখে আঘাত করা হয়। এতে সৃষ্ট গর্ত ২০ থেকে ৩০ গভীর গর্ত থেকে যেসব পদার্থের উদগীরন হয় তাতে জমাট ও বাষ্পীয় পানির অস্তিত্ব ক্যামেরায় ধরা পড়ে।
শুক্রবার নাসার এক ঘোষণায় বলা হয়, এ আবিস্কার চাঁদের বিষয়ে নতুন অধ্যায়ের সৃষ্টি করেছে। চাঁদ থেকে পাঠানো প্রাথমিক উপাত্তে দেখা গেছে, ২২০০ কেজি ওজনের সেনটাউর রকেট দিয়ে চন্দ্রপৃষ্ঠে আঘাতের ফলে সৃষ্ট গর্তে পানির উপস্থিতি রয়েছে। আঘাতের প্রায় চার মিনিট পর এর প্রভাব দেখার জন্য ক্যামেরায় ধারণ করা হয়। বিজ্ঞানীরা সৃষ্ট গর্তের পদার্থ সমূহ স্পেকট্রোগ্রাফ দিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়। এ যন্ত্রের মাধ্যমে কোনো বস্তুর মৌলকে আলোক তরঙ্গের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়।
এলসিআরওএসএস প্রজেক্টের তদন্তকারী এন্থনি কোলাপ্রিট বলেন, এ সফলতাই আমরা আনন্দিত। চাঁদে জমাট পানির উপস্থিতি নতুন করে গবেষণার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। এন্থনি কোলাপ্রিট বলেন, আমরা সামান্য নয় প্রচুর পরিমাণে পানির সন্ধান পেয়েছি।
নাসার প্রধান চন্দ্র বিজ্ঞানী মাইকেল ওয়ার্গো বলেন, আমরা চাঁদের রহস্য উšে§াচন শুরু করেছি। তবে এলসিআরওএসএস এর উপাত্ত বিশ্লেষণে আরো কিছু সময় লাগবে। স্থায়ী ছায়াচ্ছান্ন চাঁদের এ পৃষ্ঠ খুবই শীতল। কাবেউসের তাপামাত্রা মাইনাস ২৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। চাঁদের পৃষ্ঠ পৃথিবীর যেকোনো মরুভূমির চেয়ে শুকনো। যেসব মহাকাশ বিজ্ঞানী চাঁদে স্টেশন তৈরি করবে এ বিপুল পানি তাদের জন্য উপকারী হবে।
number of view: 178
এমন আরো কিছু পোষ্ট:
You can follow any responses to this entry through the RSS 2.0 feed. You can leave a response, or trackback from your own site.
