কোলেস্টেরল কমানোর উপায়

হৃদরোগ বা হার্টের যেকোনো রোগের অন্যতম প্রধান কারণ দেহে কোলেস্টেরলের আধিক্য, অত্যধিক দুশ্চিন্তা ও অতিমাত্রায় চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ। ডিমের কুসুম, যকৃত, মস্তিষ্ক, চর্বিযুক্ত গোশত, দুগ্ধ, চিংড়ি প্রভৃতিতে প্রচুর পরিমাণে কোলেস্টেরল রয়েছে। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে তা ধীরে ধীরে হৃদরোগের সৃষ্টি করে। কোলেস্টেরল রক্তকে ভারী করে এবং কৌশিক জালিকার গায়ে জমা হয়ে নালীপথ সরু করে দেয়। ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয় ও প্লাক তৈরি করে। এতে রক্ত চলাচল বìধ হলে হৃদযন্ত্রের কিছু অংশ নষ্ট হয়ে যায় এবং হৃৎপিণ্ডের কার্য বìধ হয়ে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
তাই দেহের কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই জরুরি। কোলেস্টেরল দেহে নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই সহজ। প্রয়োজন শুধু সচেতনতা। তেল বা চর্বি জাতীয় খাদ্য খুবই মুখরোচক, কিন্তু এগুলোই শরীরের জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর। তেল জাতীয় বা ভাজাপোড়া জিনিস কম খাওয়া, চিংড়ি, ডিমের কুসুম প্রভৃতি খাবার এড়িয়ে চলা। এর পরিবর্তে দৈনিক খাদ্য তালিকায় একটু করে হলেও আঁশ জাতীয় খাবার খাওয়া। যেমন ইসুবগুলের ভুসি, কচুর লতি, ডাঁটা, বিভিন্ন শাক প্রভৃতি। এগুলো রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। ইন্টারনেট।

খবরটি পড়েছেন :721
  • Print
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Google Bookmarks
  • email
  • LinkedIn
  • Twitter
  • Add to favorites
  • StumbleUpon
  • PDF

এমন আরো কিছু পোষ্ট:

  1. কিভাবে কমাবেন রক্তের কোলেস্টেরল
  2. খাবার কম খাওয়ার উপায়
  3. হৃদরোগ প্রতিরোধে ৫ উপায়
  4. হার্টের জন্য ভালো কোলেস্টেরল
  5. কোলেস্টেরল কমায় মধু এবং বাদাম
  6. রক্তে কি করে কমাবেন কোলেস্টেরল
  7. হার্টের সুস্থতায় করণীয়
  8. হৃদরোগ প্রতিরোধে রসুন
  9. কম কোলেস্টেরল ঠেকাবে স্মৃতিবিভ্রাট
  10. মাঝরাতে খেলে দাঁতের ক্ষতি

You can follow any responses to this entry through the RSS 2.0 feed. You can leave a response, or trackback from your own site.

Leave a Reply

XHTML: You can use these tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>