ই-মেইলের সহায়তা চান অভিভাবকরা
শিশুদের স্কুলে পাঠিয়েও নিশ্চিন্তনন অভিভাবকরা। স্কুলে সন্তানের পড়ালেখার অগ্রগতি সম্পর্কে অভিভাবকরা থাকেন অন্ধকারে। সরকারি প্রযুক্তি বিষয়ক শিক্ষা সংস্থা বেকটা মনে করে, কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে অভিভাবকদের তথ্য দেয়া যায়। ৬৮% অভিভাবক মনে করেন, টেকনোলজির মাধ্যমে স্কুলগুলো তাদের তথ্য দিয়ে আপটুডেট রাখতে পারে। ১৫% অভিভাবক মনে করেন সন্তানের পড়াশোনার খবর তাদের প্রত্যেক মাসেই দেয়া উচিত, আবার ৮৫% মনে করেন অন্তত বছরে চারবার ইনফরম করা উচিত। ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট ও টিভি পেরেনটিং বিশেষজ্ঞ টানইয়া বাইরন মনে করেন, অভিভাবকদের অধিকার রয়েছে স্কুলে সন্তানের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখার। ই-মেইলের মাধ্যমে অভিভাবকদের সন্তানের অগ্রগতি জানিয়ে দেয়া যায়। এর ফলে প্রত্যেক শিশুই উপকৃত হবে। নেইল ম্যাকলিন মনে করেন, সন্তানের উন্নতির জন্য অভিভাবকদের সম্পৃক্ততা খুবই প্রয়োজন। টেকনোলজি ব্যবহার করে অভিভাবকদের সঙ্গে স্কুলগুলো যোগাযোগ করতে পারে। এটি খুব সহজেই এবং স্বল্প খরচে করা যায়। এতে করে শিক্ষকদের ওপর চাপ অনেকটাই কমে যায়।
number of view: 163এমন আরো কিছু পোষ্ট:
- অভিভাবকদের ইচ্ছা
- অশ্লীলতা বিস্তারে সহায়তা : কিছু পশ্চিমা মিডিয়ার অদ্ভুত মানসিকতা
- ৮৪ পর্নোসাইট বন্ধে ৩ মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চায় বিটিআরসি
- পালিনের ই-মেইলের দাম ১৫ মিলিয়ন ডলার!
- সন্তানে অনাগ্রহ পশ্চিমা নারীর
- অতিরিক্ত শাসনও না, অতিরিক্ত আদরও না
- থানায় বিয়ে…
- মায়ের বিষণ্নতায় সন্তানের অ্যাজমা
- ভারতে প্রথম
- ইন্টারনেট ব্যবহার মৌলিক অধিকার!
You can follow any responses to this entry through the RSS 2.0 feed. You can leave a response, or trackback from your own site.
