তরুণী কণ্যার বিছানায় নগ্ন বন্ধু, রড হাতে বাবার ধাওয়া, অতঃপর জরিমানা দশ হাজার ডলার
তরুণী কণ্যার যে তরুন বন্ধু আছে একথাই জানতেন না বাবা। তাই এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সেই তরুনের কণ্যার ঘরে যাতায়াতের কথা তার না জানারই কথা।
কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে কণ্যার ঘরে তার ছেলে বন্ধুকে দেখে খানিকটা বিস্মিতই হন তিনি। তখন দেখেছিলেন কেবল তরুনের মাথা। কিন্তু একটি এগিয়ে গিয়ে উকিঝুকি মেরে ভালভাবে দেখতে গিয়ে দেখেন নগ্ন অবস্থায় তরুনটি শুয়ে আছে তার কণ্যার বিছানায়।
ব্যস, মাথা খারাপ হয়ে যায় বাবার। নিজের ঘরে গিয়ে একটি লোহার রড নিয়ে আসেন তিনি। তারপর তরুনটির কিছু বুঝে ওঠার আগেই তার ওপর চড়াও হন। গায়ের সব শক্তি দিয়ে লোহার রড দিয়ে আঘাত করেন তরুনটিকে লক্ষ্য করে। নিজেকে বাঁচানোর জন্য সরে যাওয়ার চেষ্টা করেও রেহাই পায়নি। মাথা ফেটে যায় তার।
তরুনটি বান্ধবীর বাবার অগ্নিমূর্তি দেখে উর্ধ্বশ্বাসে দৌড় দেয় ভেগে যাওয়ার জন্য। বান্ধবীর বাবাও এত সহজে ছেড়ে দিতে নারাজ। রড হাতে তিনিও ছোটেন তরুনের পেছনে। অবশ্য শেষ মেষ তরুনটিকে ধরতে পারেননি তরুণীর বাবা।
কিন্তু তার মেজাজ এতই খারাপ হয়ে গিয়েছিল যে তরুনটিকে ধরতে না পেরে তিনি থানায় যান। পুলিশকে সব কথা জানান। ভেবেছিলেন পুলিশ তরুনটিকে ধরে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।
কিন্তু ঘটলো একেবারে উল্টো ঘটনা। আহত তরুনটিকে খুঁজে বের করে হাসপাতালে নিয়ে যায় ফ্লেরিডার ডেল্টোনা পুলিশ। চিকিৎসকরা সেলাই করে তার মাথায় ব্যান্ডেজ বেঁধে দেন।
আর ছেলেটিকে মেরে আহত করার জন্য বাবার জরিমানা করা হয় দশ হাজার ডলার।
খবরটি পড়েছেন :5027এমন আরো কিছু পোষ্ট:
You can follow any responses to this entry through the RSS 2.0 feed. You can leave a response, or trackback from your own site.

ঠিকই আছে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর থাকতেই পারে বয়ফ্রেন্ড। এটা তার ব্যাক্তিস্বাধীনতার বিষয়। ঐ বাবা নামক জন্তুটি যা করেছে, তাই বরং অন্যায়।