একজনের জীবন আরেকজন যাপন
একজনের জীবন আরেকজন যাপন করার কথা গল্পেই শোনা যায়। কিন্তু উইসকনসিনের গ্রিন বে’তে ৩৩ বছর বয়সী ওয়েন্ডি ব্রাউন বাস্তবে তেমনটা করতে গিয়েও ধরা পড়ে এখন মামলায় লড়ছেন। নিজের ১৫ বছর বয়েসী মেয়ের পরিচয়পত্র চুরি করে তিনি অ্যাশোয়াবেনন হাইস্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন কন্যার নাম নিয়ে। স্কুল শুরুর আগে বিস্তর আনুষ্ঠানিকতায়ও উপস্খিত ছিলেন তিনি। শৈশববঞ্চিত ব্রাউন কখনো হাইস্কুলে পড়েননি। বয়স্ক শিক্ষা সেখানে ছিল কি না বলা যায় না। তবে বয়স্কদের স্কুলে তো আর টিনএজারদের চপল উচ্ছ্বসিত সান্নিধ্য পাওয়া যায় না। তাই এই বুদ্ধি। স্কুলের কর্মচারী কিম ডেমেনি বলেছিলেন, ব্রাউনকে দেখে ভীতু আর বেশি বয়স্ক দেখাত। তিনি অঙ্কে ভালো ছিলেন না। নেভাদার পাহরাম্প ভ্যালি হাইস্কুল (যেখানে তার কন্যা পড়ত) ছেড়ে আসার কাহিনী বলতে গিয়ে ব্রাউন কাঁদছিলেন। যদিও সে কাহিনী ছিল বানোয়াট, প্রিন্সিপাল তা উদ্ধার করেন। তার আচরণ ছিল হাইস্কুল ছাত্রীর মতোই। সহকারী প্রিন্সিপাল ব্রাউনের মায়ের সাথে কথা বলে জানতে পারেন, এ ধরনের অপরাধ তিনি অতীতেও করেছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্রাউনের ১০ হাজার ডলার জরিমানাসহ ছয় বছর জেল হতে পারে। ইন্টারনেট।
কত বার পড়া হয়েছে: 212এমন আরো কিছু পোষ্ট:
You can follow any responses to this entry through the RSS 2.0 feed. You can leave a response, or trackback from your own site.
