ডিপ্রেশন হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়
মধ্যম ধরনের ডিপ্রেশন ও উচ্চ রক্তচাপেও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। আর ডিপ্রেশনের সাথে যদি যুক্ত হয় ডায়াবেটিস, তাহলে সেটা হবে আরো বিপজ্জনক। এ ধরনের রোগীদের মৃত্যুর আশঙ্কা ২০-৩০ ভাগ বেড়ে যায়। আবার হার্ট অ্যাটাকের ছয় মাসের মধ্যেই ডিপ্রেশনের রোগীদের মৃত্যুর আশঙ্কা স্বাভাবিক হার্ট অ্যাটাকের মৃত্যুর তুলনায় বেশি। করোনারি আর্টারি বাইপাস সার্জারির এক মাসের মধ্যেই ডিপ্রেশনের রোগীদের কার্ডিয়াক সমস্যা বেড়ে যায়।
ডিপ্রেশন লক্ষণগুলো হলো দিনের বেশির ভাগ সময় বা প্রতি দিন বিষাদগ্রস্ততা, কোনো কাজকর্মে আগ্রহ বা আনন্দের অভাব বোধ করা, ওজন লক্ষণীয় মাত্রায় কমে যাওয়া বা বেড়ে যাওয়া, ঘুমে ব্যাঘাত, অস্খিরতাবোধ, ক্লান্তিবোধ, দুর্বলতা, নিজেকে অপ্রয়োজনীয় মনে হওয়া, অকারণে অপরাধবোধ, অমনোযোগ, মৃত্যু বা আত্মহত্যার চিন্তা ঘন ঘন মাথায় আসা বা আত্মহত্যার পরিকল্পনা ইত্যাদি। ডিপ্রেশনের রোগীদের জন্য চার পাশের সবার সদয় ও সুন্দর আচরণ খুবই জরুরি। ইন্টারনেট।
এমন আরো কিছু পোষ্ট:
- পশ্চিমা খাবার হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ৩০ শতাংশ বাড়ায়
- হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে চা-কফি
- ধ্যান হৃদরোগের কারণে মৃত্যু ঝুঁকি কমায়
- ইনহেলার হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়
- প্রত্যহ যোগব্যায়ামে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে
- ফলের রস ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়
- ক্যালসিয়াম ট্যাবলেটে হৃদরোগের ঝুঁকি
- অনিদ্রা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়
- হৃদরোগের উপসর্গ অবহেলা করতে নেই
- তামাক সেবন ও কম ফল খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে
You can follow any responses to this entry through the RSS 2.0 feed. You can leave a response, or trackback from your own site.
