রাষ্ট্রপতির নামে স্কুল নির্মাণে কোনো পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়নি
১০ শিক্ষকের বদলির ঘটনা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া
মুন্সীগঞ্জে রাষ্ট্রপতির নামে স্কুল এন্ড কলেজের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের ১০ শিক্ষক বদলির ঘটনাটি ছিল স্বাভাবিক প্রক্রিয়া৷ ৩০ জুন প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ওই শিক্ষকরা চলে যাবেন বলে আগে ভাগেই সে সব পদে লোক নিয়োগ করা হয়৷ প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে৷ এছাড়াও রাষ্ট্রপতির নামে স্কুল নির্মাণে কোন পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়নি৷ স্কুল নির্মাণ কার্যক্রমের আগেই অবৈধভাবে সরকারী জায়গা দখল করা ঐ এলাকার ১১টি পরিবারের ১৫টি ঘর জেলা প্রশাসন কতর্ৃক উচ্ছেদ করা হয় বলে এতে জানানো হয়৷ উল্যেখ্য, ৩ আগস্ট ‘মুন্সীগঞ্জে রাষ্ট্রপতির নামে স্কুল এন্ড কলেজের ১০ শিক্ষককে রাজধানীর বিভিন্ন স্কুলে ভর্তি’ এবং ২৬ জুলাই ‘মুন্সীগঞ্জে রাষ্ট্রপতির নামে স্কুল প্রতিষ্ঠায় উচ্ছেদ করা ৫০ পরিবার ক্ষতিপুরণ পায়নি’ শিরোনামে দুটি সংবাদ প্রকাশিত হয়৷
বিবৃতিতে খবর দুটি সঠিক নয় বলে উলেখ করে বলা হয়, বর্তমানে অধ্যক্ষসহ ৩৫ জন শিক্ষক সার্বক্ষণিক প্রতিষ্ঠানটির উন্নতিকল্পে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন৷ চলমান এইচএসসি’র ভর্তি প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট কোঠার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি জন্য প্রতিযোগিতা করছে৷ কিন্তু সিট না থাকায় সকল প্রার্থীকে ভর্তি করা যাচ্ছে না৷ বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের শিক্ষকগণ বদলী হওয়ায় অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাদানে ও ছাত্র বর্তি প্রক্রিয়ায় কোন রকমের নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি৷ এছাড়াও আর এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়েছে নিজস্ব শিক্ষক দিয়ে পরিচালনার জন্যই৷ শক্তিশালী নিয়োগবোর্ড প্রতিষ্ঠানটিতে দেশের যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষকদেরকেই নিয়োগ দিয়েছেন৷ এই বোর্ডে রয়েছেন মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার সিভিল সার্জন, সরকারি হরগঙ্গা ও সরকারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), জেলা শিক্ষক কর্মকর্তা, জেলা শহরের দুটি সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও হরগঙ্গা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শিক্ষানুরাগী অধ্যাপক অনিল কুমার চক্রবর্তী এবং প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ৷
প্রতিষ্ঠার মাত্র এক বছরের মধ্যেই এই প্রতিষ্ঠানের সুনাম সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে৷ ঈশ্বানিত হয়ে একটি মহল এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক৷
অপরদিকে, রাষ্ট্রপতির নামে স্কুল নির্মাণে কোনো পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়নি৷ স্কুল নির্মাণ কার্যক্রমের আগেই অবৈধভাবে সরকারী জায়গা দখল করা ঐ এলাকার ১১টি পরিবারের ১৫টি ঘর জেলা প্রশাসন কতর্ৃক উচ্ছেদ করা হয়৷ জেলার অন্যান্য উচ্ছেদ প্রক্রিয়া ন্যায় নোটিশ দিয়ে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় এই উচ্ছেদ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়৷
পরিবারগুলোর প্রত্যেককেই ইতোমধ্যেই সদর উপজেলার বজ্রযোগিনীতে সাড়ে ৩ শতাংশ করে অর্পিত সম্পত্তি লিজ দেয়া হয়েছে৷ রিপোর্টে যে সুমন ইসলামের (দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার টঙ্গীবাড়ি প্রতিনিধি) সাক্ষাতকার ছাপা হয়েছে, তার বাবা দ্বীন ইসলামও বজ্রযোগিনী মৌজায় সাড়ে ৩ শতাংশ ভিটি শ্রেণীর ঘর তোলার উপযোগী জমি লীজ গ্রহণ করে পুনবার্সিত হয়েছেন৷ এছাড়া যে ২/১টি পরিবার বজ্রযোগিনীতে যেতে রাজি হয়নি তাদের জন্য তাদের ইচ্ছায় পঞ্চসার ইউনিয়নে খাস জমি দেওয়ার প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্তপর্যায়ে৷
সরকারী নিয়ম মোতাবেক বাজার দরে টাকা পরিশোধ করেই বিদ্যালয়টি জন্য কিছু জায়গা অধিগ্রহণ করা হয়৷ এছাড়া মহামান্য রাষ্ট্রপতির পৈত্রিক বাড়ি নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষার জন্য স্কুল করার বিষয়টিও অবান্তর বলে জানানো হয়েছে৷
খবরটি পড়েছেন :302এমন আরো কিছু পোষ্ট:
- রাষ্ট্রপতির নামে স্কুল নির্মাণে কোনো পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়নি
- রাষ্ট্রপতির স্ত্রীর নামে খালের ইজারা অবশেষে বাতিল
- রাষ্ট্রপতির স্ত্রীর নামে দেয়া খালের ইজারা বাতিল হচ্ছে
- ঢাকায় আটক অবৈধ রিকশা মুন্সীগঞ্জে রাষ্ট্রপতির নামে বিতরণের কথা ছিল
- চবিতে রাষ্ট্রপতির এক ঘণ্টা বিশ্রামের মূল্য ১৪ লাখ টাকা!
- ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় স্কুল-ছাত্রদের সেক্স কম্পিটিশন !
- রাষ্ট্রপতির পুত্রবধূকে বহনকারী গাড়ি চাপায় শিশু নিহত
- টঙ্গীবাড়িতে মসজিদ নির্মাণে দোয়া-মোনাজাত
- মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য নির্মাণে বিশেষ মহলের বিরোধিতায় বরিশাল উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা
- মুন্সিগঞ্জে স্কুল শিক্ষিকা খুন, স্বামী গ্রেফতার
You can follow any responses to this entry through the RSS 2.0 feed. You can leave a response, or trackback from your own site.
