নিঃসঙ্গতা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়
মিশিগানের সমাজ বিজ্ঞানী জেম্স হাউসের একটি দীর্ঘকালীন সমীৰায় জানা যায়, যারা নিঃসঙ্গ জীবন যাপনকারী এবং নিষ্ক্রিয় জীবন যাপনে অভ্যসত্ম তাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ৰমতা কমে এবং তারা দীর্ঘজীবন লাভে ব্যর্থ হয়৷ সমীৰায় আরো জানা যায় যে, এৰেত্রে অবিবাহিতদের চেয়ে বিবাহিত সুখী দম্পতিরা বাঁচেও বেশীদিন এবং তাদের রোগপ্রতিরোধ সিস্টেমও থাকে চমত্কার৷ গবেষণা তথ্যে বলা হয়, নিঃসঙ্গতাকে পরিহার করে যারা সামাজিকভাবে সম্পৃক্ত থাকেন এবং একে অপরের সাথে ভাব বিনিময় করে থাকেন তারা নিরোগ দেহে দীর্ঘজীবন লাভ করতে পারেন অনায়াসে৷
ক্রিষ্টোফার পিটারসন নামের একজন মনোবিজ্ঞানী তার গবেষণায় পর্যবেৰণ করেছেন যে, অপটিমিজম বা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি সু-স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরম্নত্বপূর্ণ৷ পঁচিশ বছর বয়সের সময় চরম নিঃসঙ্গতা, নৈরাশ্য এবং হতাশার শিকার হয়ে পড়েন এমন লোকদের নিয়ে পরীৰায় তিনি দেখেছেন যে, এরা চলিস্নশ, পঞ্চাশ অথবা ষাট না পেরোতেই অনেক রোগের শিকার হয়ে পড়েছেন৷ মনোচিকিত্সকের মতে, ঘন ঘন ঠাণ্ডা-সর্দিতে ভোগার পেছনেও থাকতে পারে নিঃসঙ্গতা বা অন্যকোন সূক্ষ্ম মনসত্মাত্তি্বক কারণ৷
মনো-দৈহিক চিকিত্সক ডেভিড ম্যাকক্লিল্যান্ড মনে করেন ভালবাসা বা সৌহার্দ্য আমাদের শ্বসনতন্ত্রের সংক্রমণ রোধকারী উপাদান ইম্মিউনোগেস্নাবুলিনের নিঃসরণ মাত্রা বাড়াতে সৰম৷ এসব তথ্যে সহজেই বিশ্বাস করা যায় যে, নিঃসঙ্গতা স্বাস্থ্যের জন্য কখনো ভালো নয়৷
প্রকৃতপৰে সামাজিক সম্পৃক্ততা, প্রেম-ভালবাসা, সৌহার্দ্য ও সহানুভূতি ইত্যাদি ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য এবং দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের মনো-দৈহিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই জরম্নরি৷
কায়েদ-উয-জামান,
সহকারী অধ্যাপক, জীববিজ্ঞান বিভাগ, শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজ, জামালপুর৷
এমন আরো কিছু পোষ্ট:
- 'মিনি' খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ভাল
- নিঃসঙ্গতা ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়
- সুন্দরী নারী স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি!
- বিয়ে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী
- অনিচ্ছাকৃত হাসি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর!
- হার্টের জন্য ভালো নয় চকোলেট
- কাঁদলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে
- হার্টের জন্য ভালো কোলেস্টেরল
- হাড়ের জন্য বিয়ার ভালো!
- ভালো ঘুমের জন্য ড. উইলিয়ামের পাঁচ পরামর্শ
You can follow any responses to this entry through the RSS 2.0 feed. You can leave a response, or trackback from your own site.
