স্লিম থাকতে দুধ পানের গুরুত্ব
দুধে প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ফ্যাট, শর্করা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান থাকায় দুধকে আদর্শ খাদ্য বলা হয়। অধুনা গবেষকরা পর্যবেক্ষণ করেছেন দুধ ি ম থাকতে বা ওজন কমাতেও সাহায্য করে। দুধে যে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে তা অষ্টিওপরোসিস বা অস্থিক্ষয় শুধু রোধ করে তা নয় এই ক্যালসিয়াম দেহের চর্বি কোষকে চর্বি জমাতে বাধা দেয় এবং চর্বি ক্ষয়কে ত্বরান্বিত করে। গবেষকদের মতে রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা কমে গেলে চর্বি কোষ চর্বি জমা করতে শুরু করে- আয়তনও বৃদ্ধি পায় ফলে স্থূলতা বা মোটা হওয়ার প্রবণতা জন্মে। পুষ্টিবিদ মাইকেল জিমিল তার গবেষণায় দেখতে পান দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার গ্রহণের ফলে চর্বি হ্রাস পেয়ে দেহের ওজন উল্লেখযোগ্য হারে কমে। এই চর্বি হ্রাস পেট বা কোমরের জায়গা থেকে প্রধানত ঘটে থাকে যার ফলে হৃদরোগের ঝুঁকিও হ্রাস পায়। জিমিলের মতে গুরুত্বপূর্ণ ক্যালসিয়াম উপাদানটি কেবলমাত্র হাড়ের পুষ্টি ঘটায় তা নয় বরং রক্তনালীকে সংকোচন-প্রসারণে সাহায্য করে এবং স্নায়ুসমূহে উদ্দীপনা সরবরাহে প্রভাবিত করে। রক্তে ক্যালসিয়াম পর্যাপ্ত থাকলে চর্বি কোষগুলো চর্বি জমা বন্ধ করার স্নায়ু-সংকেত পায় এবং সংরক্ষিত চর্বি ক্ষয় করার নির্দেশ লাভ করে। শিশুদের নিয়ে গবেষণায় দেখা গেছে যে সব শিশু দুধ এবং পর্যা প্ত পরিমাণে ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খায় তাদের মধ্যে স্থূলতা হবার প্রবণতা একেবারেই কম।
গবেষকদের মতে ওজন কমাতে শরীর চর্চার পাশাপাশি ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার খাওয়া জরুরি। এক্ষেত্রে লো ফ্যাট বা ননীমুক্ত দুধ (Skimmed milk) কমচর্বিযুক্ত দই অথবা পনির এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত খাবার ভাল।
তথ্যসূত্রঃ [Holy cow: Look what wakes you thin-p.49 JAN/03. RD]
কায়েদ উয জামান, সহকারী অধ্যাপক,
জীববিজ্ঞান বিভাগ, শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজ জামালপুর।
number of view: 290এমন আরো কিছু পোষ্ট:
You can follow any responses to this entry through the RSS 2.0 feed. You can leave a response, or trackback from your own site.
