বন্যা পরিস্খিতির অবনতি ছোট হয়ে আসছে মুন্সীগঞ্জের মানচিত্র
মুন্সীগঞ্জে পদ্মার ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। প্রবল স্রোতে সৃষ্ট ঘূর্ণাবর্তের ফলে জেলার তিনটি উপজেলার বিভিন্ন স্খানে ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ফলে জেলার মানচিত্র ছোট হয়ে আসছে। মানুষের ভিটেমাটি, দোকানপাট, রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মন্দির, অফিস, সরকারি স্খাপনা সবই তলিয়ে যাচ্ছে সর্বনাশা পদ্মার গহ্বরে। নি:স্ব-দরিদ্র মানুষের অনেকেই তাদের সহায়-সম্বল হারিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন রাস্তার দু’পাশে। কেউ আবার নতুন বসতির খোঁজে বেরিয়ে পড়েছেন।
পদ্মার ভাঙন রোধে বিগত বছরে ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে টঙ্গিবাড়ী উপজেলার হাসাইলে বাঁধ নির্মাণ করলেও কয়েক মাস যেতে না যেতে বাঁধের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। বর্তমানে ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। তার ভবিষ্যৎ নিয়েও শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন জেলাবাসী।
মুন্সীগঞ্জ জেলার তিনটি উপজেলা পদ্মা নদী-তীরবর্তী হওয়ায় এ তিন উপজেলার পদ্মা-তীরবর্তী গ্রামগুলো বিলীন হয়ে যাচ্ছে। একের পর এক গ্রাম তলিয়ে যাচ্ছে নদীতে। স্খায়ী কোনো ব্যবস্খা না থাকায় প্রতিবছর ভাঙনের শিকার হচ্ছেন হাজারও মানুষ। বর্তমানে জসলদিয়া, গাঁওদিয়া, কলমায় এবং শ্রীনগর উপজেলায় পশ্চিম বাঘরা, পূর্ব বাঘরা, নয়াবাড়ী, কামারগাঁওয়ে পদ্মা নদীর ভাঙন অব্যাহত আছে।
এমন আরো কিছু পোষ্ট:
- মুন্সীগঞ্জে বন্যার অবনতি
- মুন্সীগঞ্জে ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে শহররক্ষা বাঁধ হচ্ছে
- ৫০ বছর পর দুর্গাপূজা উদযাপন করছে মুন্সীগঞ্জের ৮০০ পরিবার
- পদ্মা বাঁধ ও সেতু একসঙ্গে নির্মাণ করুন
- পদ্মা সেতু: টাকার সন্ধানে সরকার
- মুন্সীগঞ্জের বাবা আদম মসজিদ
- মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়িতে বাল্যবিয়ে ভেঙে দিয়েছেন ইউএনও
- লৌহজংয়ে ওএমএসে দুর্গল্পব্দযুক্ত চাল!
- মুন্সীগঞ্জের পুকুরটি যেন ভরাট করা না হয়
- মস্তিষ্কের প্রধান জিনগুলোর মানচিত্র তৈরি
You can follow any responses to this entry through the RSS 2.0 feed. You can leave a response, or trackback from your own site.
