হোটেল কৰে গোপন ক্যামেরা রেখে
যৌনকমর্ী নিয়ে আবাসিক হোটেলে যারা আমোদ-ফুর্তি করতে যান, দুঃসংবাদটা তাদের জন্যই৷ যৌনকমর্ীর সঙ্গে তাদের কর্মকাণ্ড আর গোপন থাকছে না৷ ঢাকার অনেক আবাসিক হোটেলেই গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা হচ্ছে সেসব দৃশ্য৷ এরপর সিডি করে তা ছেড়ে দেয়া হচ্ছে বাজারে৷ গোয়েন্দা পুলিশের কাছে এ তথ্য দিয়েছে সিডি ব্যবসায়ী সাগর৷ হাজার হাজার সিডি ছড়িয়ে গেছে ঢাকার অলিতে-গলিতে৷ আজ সকালে এক হাজার পর্নো সিডি উদ্ধার করেছে পুলিশের চৌকশ দল৷ গ্রেপ্তার করেছে দু’জনকে৷ জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে আরো এক হাজার সিডি বাইরে রয়েছে৷ পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পর্নো সিডি ব্যবসায়ীরা কবুল করেছে তাদের সব অপরাধ৷ বলেছে, দীর্ঘদিন ধরেই তারা এ ব্যবসায় জড়িত৷ তবে সিডিগুলো বাজারে ছাড়ার সময় তারা বিভিন্ন লেবেল বানায়৷
সেখানে প্রখ্যাত অভিনেত্রীদের ছবিও লাগানো হয়৷ যদিও মূলত যৌনকমর্ীদের দিয়েই নির্মিত হয় এসব ছবি৷ যেসব আবাসিক হোটেলে যৌনকমর্ীদের দিয়ে ব্যবসা হয়, সিডি ব্যবসায়ীদের টার্গেট সেগুলো৷ হোটেল কৰে গোপন ক্যামেরা বসিয়ে তারা সবকিছু ধারণ করে৷ মাইনুল নামের একজন এ পর্নো সিডির মূল কারিগর৷ সে যথেষ্ট প্রভাবশালীও৷ আইন-শৃঙ্খলা রৰা বাহিনীর সদস্যদের কাউকে কাউকে সে মাসোহারাও দেয়৷ এছাড়াও ভারত, পাকিসত্মান, আমেরিকা, চীন, মিয়ানমার থেকে তারা পর্নো সিডি সংগ্রহ করে কপি করে সেগুলো বাজারে ছাড়ে৷ সাগর বলাকা সিনেমা এলাকায় পর্নো সিডির ব্যবসা করে৷ সে জানিয়েছে, তার সহযোগী মাইনুলের ৩/৪টি ভ্রাম্যমাণ দোকান রয়েছে৷ দোকানিরা জানায়, ১৭/১৮ বছর বয়সী ছেলে-মেয়েদের দিয়ে এ পর্নো সিডি তৈরি করা হচ্ছে৷ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার দোকানিদের কাছ থেকে মাইনুল মাসিক টোল নেয়৷ এ টাকা থানা পুলিশ ও গেয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের দেয় বলে সাগর জানিয়েছে৷
এমন আরো কিছু পোষ্ট:
You can follow any responses to this entry through the RSS 2.0 feed. You can leave a response, or trackback from your own site.
